বাড়ি ভাড়ার চুক্তিপত্র: পূর্ণ বাংলা নমুনা ও ধারা ধরে ব্যাখ্যা

Posted on22 October 2026
বাড়ি ভাড়ার চুক্তিপত্র বাড়িওয়ালা আর ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি লিখিত সমঝোতা। এতে ভাড়া, মেয়াদ, জামানত আর দুই পক্ষের দায়িত্ব স্পষ্ট করে লেখা থাকে। নিচে পুরো একটি বাংলা নমুনা আছে, যেটা আপনি কপি করে ফাঁকা জায়গা ভরে নিতে পারেন। নমুনার পরে প্রতিটি ধারা কেন আছে আর বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯১-এর কোন কথার সাথে মেলে, তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
> সতর্কতা: এটি একটি নমুনা, আইনি পরামর্শ নয়। স্ট্যাম্প, রেজিস্ট্রেশন আর আপনার এলাকার নিয়ম আমরা যাচাই করিনি। সই করার আগে একজন আইনজীবীকে দেখিয়ে নিন।
পূর্ণ বাংলা নমুনা
বাড়ি ভাড়ার চুক্তিপত্র
এই চুক্তিপত্র ../../.... তারিখে নিচের দুই পক্ষের মধ্যে সম্পাদিত হলো।
প্রথম পক্ষ (বাড়ির মালিক)
নাম: ...................................... পিতা/স্বামীর নাম: ..........................
জাতীয় পরিচয়পত্র নং: ................ মোবাইল: ................
ঠিকানা: ..............................................................
দ্বিতীয় পক্ষ (ভাড়াটিয়া)
নাম: ...................................... পিতা/স্বামীর নাম: ..........................
জাতীয় পরিচয়পত্র নং: ................ মোবাইল: ................
স্থায়ী ঠিকানা: ......................................................
১। ভাড়া দেওয়া বাসা
প্রথম পক্ষ তাঁর ................ (ভবনের নাম ও পূর্ণ ঠিকানা) এর ........ তলার
ফ্ল্যাট/রুম নং ........ আবাসিক কাজে ব্যবহারের জন্য দ্বিতীয় পক্ষকে ভাড়া দিলেন।
বাসার সাথে দেওয়া জিনিস (যেমন লাইট, ফ্যান, গ্যাসের চুলা, পানির লাইন): ................
২। মেয়াদ
ভাড়ার মেয়াদ ../../.... থেকে ../../.... পর্যন্ত, মোট ........ মাস।
মেয়াদ শেষে দুই পক্ষ সম্মত হলে নতুন চুক্তি করে মেয়াদ বাড়ানো যাবে।
৩। মাসিক ভাড়া ও পরিশোধ
মাসিক ভাড়া ........ টাকা (কথায়: .................. টাকা)।
প্রতি মাসের ........ তারিখের মধ্যে ভাড়া দিতে হবে।
ভাড়া নগদ, bKash বা ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া যাবে। প্রতিবার ভাড়া দিলে
প্রথম পক্ষ স্বাক্ষর করা রশিদ দেবেন।
৪। ইউটিলিটি বিল
গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও সার্ভিস চার্জ ভাড়ার বাইরে। ওগুলো দ্বিতীয় পক্ষ
মিটার রিডিং বা বিলের কপি অনুযায়ী মাসে মাসে দেবেন।
(সার্ভিস চার্জ: ........ টাকা / বিলের ভাগের নিয়ম: ................)
৫। অগ্রিম / জামানত
দ্বিতীয় পক্ষ অগ্রিম/জামানত হিসেবে ........ টাকা দিয়েছেন (রশিদ নং ........)।
চুক্তি শেষে বাসা বুঝিয়ে দেওয়ার পর, বাকি ভাড়া ও ক্ষতির টাকা (যদি থাকে)
কেটে ........ দিনের মধ্যে অবশিষ্ট টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
৬। ভাড়া বদল
মেয়াদের মধ্যে ভাড়া বাড়ানো হবে না। নতুন মেয়াদে ভাড়া বদলাতে হলে
অন্তত ........ দিন আগে লিখিতভাবে জানাতে হবে।
৭। বাসার ব্যবহার
বাসা শুধু আবাসিক কাজে ব্যবহার করা যাবে। কোনো ব্যবসা বা অন্য কাজে
ব্যবহার করা যাবে না। বাসার নকশা বা কাঠামো প্রথম পক্ষের লিখিত অনুমতি
ছাড়া বদলানো যাবে না।
৮। উপ-ভাড়া নিষেধ
প্রথম পক্ষের লিখিত সম্মতি ছাড়া দ্বিতীয় পক্ষ বাসা বা এর কোনো অংশ
অন্য কাউকে ভাড়া বা উপ-ভাড়া দিতে পারবেন না।
৯। মেরামত ও ক্ষতি
বাসার দেয়াল, রং ও বড় কাঠামোর মেরামত প্রথম পক্ষ করবেন। ছোটখাটো
দৈনন্দিন মেরামত (যেমন বাল্ব, ট্যাপের ওয়াশার) দ্বিতীয় পক্ষ করবেন।
দ্বিতীয় পক্ষের অযত্নে হওয়া ক্ষতির খরচ দ্বিতীয় পক্ষ দেবেন।
১০। বাসা ছাড়ার নোটিশ
যেকোনো পক্ষ বাসা ছাড়তে বা ছাড়াতে চাইলে অন্তত ........ দিন আগে
লিখিত নোটিশ দেবেন।
১১। ভাড়াটিয়ার তথ্য
দ্বিতীয় পক্ষ তাঁর পরিচয় ও পরিবারের সদস্যদের সঠিক তথ্য প্রথম পক্ষকে
দেবেন, আর স্থানীয় থানায় তথ্য জমা দিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।
১২। বিরোধ
চুক্তি নিয়ে বিরোধ হলে প্রথমে দুই পক্ষ আলোচনায় মীমাংসার চেষ্টা করবেন।
না হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
আমরা উভয় পক্ষ চুক্তিপত্রের সব শর্ত পড়ে ও বুঝে নিজ নিজ সম্মতিতে নিচে স্বাক্ষর করলাম।
প্রথম পক্ষের স্বাক্ষর: ................ দ্বিতীয় পক্ষের স্বাক্ষর: ................
সাক্ষী ১: নাম ................ মোবাইল ................ স্বাক্ষর ................
সাক্ষী ২: নাম ................ মোবাইল ................ স্বাক্ষর ................
অংশ ধরে ব্যাখ্যা
নমুনার অংশ ১ ও ২: বাসা আর মেয়াদ
ঠিকানা আর ফ্ল্যাট নম্বর পরিষ্কার লিখুন। বাসার সাথে কী কী জিনিস দেওয়া হচ্ছে, সেটাও লিখে রাখলে বাসা ছাড়ার সময় "এটা তো ছিল না" ধরনের তর্ক কমে। মেয়াদ না লিখলেও ভাড়া চলে, কিন্তু তখন বাসা ছাড়ার নোটিশ নিয়ে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ডিফল্ট নিয়ম প্রযোজ্য হয়। সেই নিয়ম নিচে আছে।
নমুনার অংশ ৩: ভাড়ার তারিখ
তারিখ চুক্তিতে লেখা থাকলে আইনে তার একটি ভূমিকা আছে। ১৮(৫)(ক) ধারা অনুযায়ী চুক্তিতে নির্দিষ্ট তারিখ থাকলে সেই তারিখের মধ্যে ভাড়া না দিলে ভাড়াটিয়া ১৮ ধারার সুরক্ষা পান না। নির্দিষ্ট তারিখ না থাকলে ধরা হয় ভাড়ার মাসের পরের মাসের পনেরো দিন। এই কারণে একটা পরিষ্কার তারিখ লেখা দুই পক্ষের জন্যই ভালো।
নমুনার অংশ ৩ আর রশিদ (আইনের ১৩ ধারা)
আইনে ভাড়া নিলে সঙ্গে সঙ্গে স্বাক্ষর করা রশিদ দেওয়ার কথা (১৩ ধারা)। চুক্তিতে সেই কথা লিখে রাখলে বিষয়টা দুই পক্ষের মনে থাকে। রশিদের ফরম্যাট আর আইনের নিয়ম নিয়ে আলাদা লেখা আছে: বাড়ি ভাড়ার রশিদ: কী কী লিখবেন।
নমুনার অংশ ৫: অগ্রিম আর জামানত
এই ধারা নিয়ে সবচেয়ে সাবধান থাকা দরকার। আইনের ১০ ধারার সরকারি পাঠ বলছে, ভাড়া দেওয়া, নবায়ন বা মেয়াদ বাড়ানোর কারণে কেউ ভাড়ার অতিরিক্ত কোনো প্রিমিয়াম, সালামী, জামানত বা এ ধরনের টাকা চাইতে বা নিতে পারবেন না। আর নিয়ন্ত্রকের পূর্বানুমোদন ছাড়া অগ্রিম ভাড়া এক মাসের ভাড়ার বেশি চাওয়া বা নেওয়াও নিষেধ। ২৩ ধারায় এর শাস্তি আছে: প্রিমিয়াম বা জামানতের ক্ষেত্রে প্রথমবার দুই হাজার টাকা পর্যন্ত আর পরের প্রতিবার পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড; এক মাসের বেশি অগ্রিম ভাড়ার ক্ষেত্রে প্রথমবার বাড়তি টাকার দ্বিগুণ পর্যন্ত। ১৪ ধারা অনুযায়ী ভাড়াটিয়া এ ধরনের টাকা ফেরতের জন্য নিয়ন্ত্রকের কাছে আবেদন করতে পারেন, টাকা দেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে।
বাস্তবে অনেক জায়গায় দুই-তিন মাসের জামানতের চল আছে। আইনের পাঠ আর চলতি প্রথার এই ফারাক আমরা মেটাতে পারি না। নমুনায় তাই টাকার ঘর ফাঁকা রাখা হয়েছে। কত লিখবেন আর সেটা আইনের সাথে কেমন দাঁড়ায়, তা আইনজীবীর সাথে ঠিক করুন। আর যে টাকাই নিন, রশিদ দিন এবং ফেরতের শর্ত লিখে রাখুন।
নমুনার অংশ ৬: ভাড়া বাড়ানো
আইনের ৭ ধারা বলে, কোনো বাড়ির ভাড়া মানসম্মত ভাড়ার চেয়ে বেশি বাড়ানো হলে সেই বাড়তি অংশ, চুক্তিতে অন্য কিছু লেখা থাকলেও, আদায়যোগ্য হবে না। মানসম্মত ভাড়া নির্ধারণ করেন নিয়ন্ত্রক, বাড়িওয়ালা বা ভাড়াটিয়ার আবেদনে (১৫ ধারা), আর সেটা বাড়ির বাজারমূল্যের বছরে ১৫ শতাংশের সমান হতে হয়। নির্ধারিত মানসম্মত ভাড়া প্রতি দুই বছর পর আবার নির্ধারণ করা যায় (১৬(২) ধারা)। নমুনায় ভাড়া বদলাতে আগে লিখিত নোটিশের কথা রাখা হয়েছে, যাতে দুই পক্ষই আগে থেকে জানেন।
নমুনার অংশ ৭: ব্যবহার
১৮(১)(ঘ) ধারা অনুযায়ী ভাড়াটিয়া বাড়ির কোনো অংশ অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করলে বা করতে দিলে উচ্ছেদের বিরুদ্ধে আইনি সুরক্ষা থাকে না। আবাসিক বাসায় ব্যবসা চালানো যাবে কি না, চুক্তিতে লিখে রাখুন।
নমুনার অংশ ৮: উপ-ভাড়া
১৮(১)(খ) ধারা বলে, ভিন্নরূপ চুক্তি না থাকলে বাড়ি-মালিকের লিখিত সম্মতি ছাড়া উপ-ভাড়া দিলে ভাড়াটিয়া সুরক্ষা হারাতে পারেন। মেস বা সাবলেট চালানোর কথা থাকলে সেটা সরাসরি চুক্তিতে লিখে নিন।
নমুনার অংশ ১০: বাসা ছাড়ার নোটিশ
চুক্তিতে নোটিশের দিন লিখে রাখুন। না লিখলে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ১০৬ ধারা ডিফল্ট দেয়: লিখিত চুক্তি, স্থানীয় আইন বা প্রথা না থাকলে আবাসিক বাসার মতো সাধারণ ভাড়া মাস থেকে মাস ধরা হয়, আর পনেরো দিনের নোটিশে মাস শেষে শেষ করা যায়। কৃষি বা কারখানার লিজ ধরা হয় বছর থেকে বছর, ছয় মাসের নোটিশে।
বাড়িওয়ালা বাসা ছাড়াতে চাইলে ১৮ ধারার সীমাও মনে রাখতে হয়। ভাড়াটিয়া অনুমোদনযোগ্য ভাড়া দিয়ে আর শর্ত মেনে চললে আদালত সাধারণত দখল ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেয় না। ব্যতিক্রম আছে, যেমন বাড়ি-মালিকের নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ বা নিজের থাকার জন্য সত্যিই বাড়ি দরকার হলে (১৮(১)(ঙ) ধারা)। মেয়াদ শেষ হয়েছে, শুধু এই কারণ ১৮(২) ধারা অনুযায়ী যথেষ্ট নয়, যদি ভাড়াটিয়া পুরো ভাড়া দিতে প্রস্তুত ও ইচ্ছুক থাকেন।
নমুনার অংশ ১১: ভাড়াটিয়ার তথ্য
ঢাকায় ২০১৬ সালে পুলিশ বাড়িওয়ালা আর ভাড়াটিয়াকে তথ্যের ফরম পূরণ করে থানায় জমা দিতে বলেছিল। সেই বিষয়ে আলাদা লেখা আছে: ভাড়াটিয়া তথ্য ফরম।
স্ট্যাম্প, রেজিস্ট্রেশন, নোটারি
এই তিনটি বিষয় নিয়ে আমরা এখানে কোনো সংখ্যা বা নিয়ম লিখছি না, কারণ যাচাই করা সরকারি সূত্র আমরা পাইনি। অন্য কোনো সাইটে "অমুক টাকার স্ট্যাম্পে করুন" লেখা দেখলে তার সূত্র দেখে নিন, আর স্থানীয় সাব-রেজিস্ট্রার অফিস বা আইনজীবীর কাছে নিশ্চিত হয়ে নিন।
অ্যাপে করলে
বাড়ির হিসাবে বাংলা চুক্তিপত্র পাতায় শুরুর তারিখ, মাসিক ভাড়া, অগ্রিম, দেরির জরিমানা, সাক্ষী আর নিজের শর্ত বসিয়ে চুক্তিপত্রের PDF বানানো যায়। অ্যাপের চুক্তিপত্র একটি সাধারণ কাঠামো, আর উপরের আইনি সতর্কতাগুলো সেখানেও প্রযোজ্য। এই গাইডের লেখক, Teamz Lab, অ্যাপটির নির্মাতা।
সূত্র
- বাড়ী ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ (সরকারি পাঠ, bdlaws.minlaw.gov.bd): ৭, ১০, ১৪, ১৫, ১৬, ১৮, ২৩ ধারা। পাঠ পড়া হয়েছে ২০২৪ সালের ৫ মার্চের সংরক্ষিত কপি থেকে; এর পরের সংশোধনী যাচাই করা হয়নি।
- সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২, ১০৬ ধারা (bdlaws.minlaw.gov.bd): পাঠ পড়া হয়েছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের সংরক্ষিত কপি থেকে।
সাধারণ প্রশ্ন
বাড়ি ভাড়ার চুক্তিপত্রে অবশ্যই কী কী থাকা উচিত?
দুই পক্ষের নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও মোবাইল; ভাড়া দেওয়া বাসার ঠিকানা; মেয়াদ; মাসিক ভাড়া ও পরিশোধের তারিখ; বিলের নিয়ম; অগ্রিম বা জামানতের পরিমাণ ও ফেরতের শর্ত; ভাড়া বদলের নিয়ম; উপ-ভাড়া ও ব্যবহারের শর্ত; বাসা ছাড়ার নোটিশ; দুই পক্ষ ও সাক্ষীর স্বাক্ষর।
অগ্রিম বা জামানত কত নেওয়া যায়?
বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১-এর ১০ ধারার পাঠ অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার কারণে ভাড়ার অতিরিক্ত প্রিমিয়াম, সালামী বা জামানত চাওয়া বা নেওয়া যায় না, আর নিয়ন্ত্রকের পূর্বানুমোদন ছাড়া অগ্রিম ভাড়া এক মাসের বেশি নেওয়া যায় না। অনেক জায়গার চলতি প্রথা এর চেয়ে বেশি, তাই চুক্তি করার আগে আইনজীবীর কাছে জেনে নিন।
ভাড়াটিয়া কি বাসা উপ-ভাড়া দিতে পারেন?
১৮(১)(খ) ধারা অনুযায়ী ভিন্নরূপ চুক্তি না থাকলে বাড়ি-মালিকের লিখিত সম্মতি ছাড়া উপ-ভাড়া দিলে ভাড়াটিয়া উচ্ছেদ থেকে আইনি সুরক্ষা হারাতে পারেন। তাই চুক্তিতে উপ-ভাড়ার কথা স্পষ্ট লিখে রাখুন।
ভাড়া মাসের কত তারিখের মধ্যে দিতে হয়?
আইন চুক্তির তারিখকে প্রাধান্য দেয়: ১৮(৫)(ক) ধারা অনুযায়ী চুক্তিতে নির্দিষ্ট তারিখ থাকলে সেই তারিখের মধ্যে, না থাকলে ভাড়ার মাসের পরের মাসের পনেরো দিনের মধ্যে ভাড়া না দিলে ভাড়াটিয়া ১৮ ধারার সুবিধা পান না। তাই চুক্তিতে নির্দিষ্ট তারিখ লিখে রাখা ভালো।
চুক্তিপত্র কি স্ট্যাম্পে বা রেজিস্ট্রি করতে হয়?
স্ট্যাম্পের দাম, মেয়াদ অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন আর নোটারির নিয়ম আমরা যাচাই করা সূত্র থেকে পাইনি, তাই এখানে কিছু লিখছি না। এই বিষয়ে আইনজীবী বা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পরামর্শ নিন।
মেয়াদ না লিখলে বাসা ছাড়ার নোটিশ কত দিনের?
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী লিখিত চুক্তি, স্থানীয় আইন বা প্রথা না থাকলে কৃষি বা কারখানার লিজ বছর থেকে বছর, ছয় মাসের নোটিশে শেষ হয়। অন্য যেকোনো কাজের জন্য ভাড়া মাস থেকে মাস, আর পনেরো দিনের নোটিশে মাস শেষে শেষ করা যায়। চুক্তিতে নোটিশের সময় লিখে দিলে সেটাই প্রথমে দেখা হয়।
বাড়ির হিসাবে বাংলা চুক্তিপত্র PDF বানান
প্রকাশক: Teamz Lab LTD (কোম্পানি পরিচিতি, আমাদের টিম)। যোগাযোগ: [email protected] · WhatsApp +44 7490 356046 · গোপনীয়তা নীতি। সর্বশেষ হালনাগাদ: ২২ অক্টোবর ২০২৬। এটি আইনি পরামর্শ নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে একজন আইনজীবীর সাথে কথা বলুন।